মুন টাইমস নিউজ
সর্বশেষ
রাড্ডায় ভাঙচুরে শাহ আলী থানার ওসির দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাড্ডায় ভাঙচুরে শাহ আলী থানার ওসির দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন,রাড্ডায় ভাঙচুরে শাহ আলী থানার ওসির দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে। আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, শাহ আলী থানার ওসির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, গ্রেপ্তারদের রাজনৈতিক পরিচয় আমলে নেবে না সরকার।

জ্বালানি ও মেগা প্রকল্প নির্মাণশিল্পের পথিকৃৎ মাহমুদ হাসান আর নেই

জ্বালানি ও মেগা প্রকল্প নির্মাণশিল্পের পথিকৃৎ মাহমুদ হাসান আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের জ্বালানি অবকাঠামো ও মেগা প্রকল্প নির্মাণশিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ এবং দীপন গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাহমুদ হাসান মারা গেছেন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১১টা ১ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।মরহুমের নামাজে জানাজা রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) আসর নামাজের পর গুলশান সোসাইটি মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।মাহমুদ হাসান ১৯৭০ সালে ব্যবসায়িক জীবন শুরু করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশের জ্বালানি, পানি, বিদ্যুৎ ও বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণ খাতে কাজ করেন। তাঁর উদ্যোগ ও নেতৃত্বে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গ্যাস পাইপলাইন, গ্যাস প্রসেসিং প্ল্যান্ট, ভাল্‌ভ স্টেশন ও মিটারিং স্টেশন নির্মাণে কাজ করা হয়। পাশাপাশি ঢাকা ওয়াসার পানির পাইপলাইন নির্মাণেও তার প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পৃক্ততা ছিল।বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র ও সংশ্লিষ্ট পাইপলাইন, ভারত-বাংলাদেশ তেল পাইপলাইন এবং মহেশখালী থেকে চট্টগ্রামমুখী এলএনজি পাইপলাইন নির্মাণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো প্রকল্পে তার প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করেছে।এ ছাড়া বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ দেশের শতাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণেও তাঁর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পৃক্ততা ছিল।জ্বালানি ও মেগা প্রকল্পকেন্দ্রিক নির্মাণশিল্পে দীর্ঘ কর্মজীবনে তাঁর অভিজ্ঞতা, উদ্যোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে অবদান সংশ্লিষ্টদের কাছে উল্লেখযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।ব্যক্তিজীবনে মাহমুদ হাসান ধর্মীয় ও দাতব্য কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর, কর্মস্থল সাভারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তিনি ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করেছেন। অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশেও তিনি দাঁড়িয়েছেন।মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।তার মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, ব্যবসায়ী মহল ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্র সংস্কার ও তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা ভঙ্গ করেছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ

রাষ্ট্র সংস্কার ও তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা ভঙ্গ করেছে বিএনপি: হাসনাত আবদুল্লাহ

আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদের সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিএনপির সংস্কারবিরোধী অবস্থান নিয়ে একটি তীব্র সমালোচনামূলক পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা এবং তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে তিনি বিএনপির বর্তমান নীতি ও কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন।হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর পোস্টে ৫ আগস্টের পর থেকে বিএনপির সংস্কারবিরোধী অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, সংস্কারের বিরোধিতা করে দলটি মূলত আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া একটি ‘ফিটনেসবিহীন গাড়ি’-এর ভালো ড্রাইভার হতে চেয়েছে। সালাহউদ্দিন আহমেদসহ প্রভাবশালী নেতাদের উৎসাহ ও প্ররোচনায় তারেক রহমান এই ধ্বংসপ্রাপ্ত গাড়ির ড্রাইভিং সিটে বসেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, জুলাইয়ের রাজপথে তরুণ প্রজন্ম কেবল ক্ষমতার হাতবদল দেখার জন্য নামেনি। পুনর্গঠন ও সংস্কারের মাধ্যমেই একটি আদর্শ নাগরিক রাষ্ট্র বিনির্মাণই ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চালিকাশক্তি। অথচ বিএনপি গুম কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, দুদক এবং স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের মতো সংবেদনশীল ও জরুরি সংস্কারে বাধা সৃষ্টি করেছে।তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষাকে পাশ কাটিয়ে রাষ্ট্রে দ্রুত মাদক, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, পরিবারতন্ত্র এবং মাফিয়াতন্ত্র জেঁকে বসেছে বলে পোস্টে অভিযোগ করে তিনি আরো উল্লেখ করেন, তারেক রহমানের সংস্কারবিরোধী রাষ্ট্রব্যবস্থা এখন মন্ত্রীপুত্রদের বড় ঠিকাদার হওয়া এবং জবাবদিহি ছাড়া মেগাপ্রজেক্টের দুর্নীতি করার ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে।হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, তারেক রহমানের মন্ত্রী-এমপিরা জনগণ বলতে কেবল দলীয় নেতাকর্মীদের বোঝেন এবং কর্মসংস্থান বলতে চাঁদাবাজি ও প্রতিষ্ঠান ভাঙচুরকে বুঝছেন। সংস্কারবিরোধী এই অবস্থান এবং প্রতিশ্রুত সময়ের সাথে প্রতারণা শেষ পর্যন্ত বিএনপির জন্যই পদে পদে বিপর্যয় ডেকে আনবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে : সাদিয়া আয়মান

অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে : সাদিয়া আয়মান

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই ঘটনাকে অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেন। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া ওই পোস্টে সাদিয়া আয়মান লেখেন, ‘সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও অগ্রহণযোগ্য। তার মতো একজন মানুষের সঙ্গে এমন ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’ একই সঙ্গে দেশে চাঁদাবাজ ও অশিক্ষিত মানুষের উপদ্রব বেড়ে যাওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘এতো অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে, যে ওরা ভালো কিছু জীবনে দেখেনি আর দেখলেও সেটা হজম করতে পারে না! পোস্টের শেষ অংশে পুরো বিষয়টিকে লজ্জাজনক আখ্যা দিয়ে তিনি লেখেন, ‘এটি চরম লজ্জার ও ধিক্কারজনক!’পরবর্তীতে ওই পোস্টের কমেন্ট বক্সে সমালোচকদের কড়া জবাব দেন সাদিয়া আয়মান। নেতিবাচক মন্তব্যকারীদের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ ঝেরে তিনি লেখেন, ঠিক যাদেরকে উদ্দেশ্য করে পোস্টটি করা, সেই অশিক্ষিত মানুষগুলোই চাঁদাবাজদের পক্ষে হয়ে কমেন্টে নিজেদের ফ্রাস্ট্রেশন ঝাড়ছে। নেটিজেনদের এসব মন্তব্য আজীবনের জন্য ডকুমেন্টেড হয়ে থাকবে উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, তাদের বাবা-মা ও সন্তানরা পরবর্তীতে দেখবে যে তারা কত বড় নোংরা মানুষ এবং সুযোগ পেলে তারা নিজেদের মা, বোন কিংবা মেয়েদেরও ছাড়বে না।সোশ্যাল মিডিয়ায় সাদিয়ার এই পোস্ট ও মন্তব্য প্রকাশের পর নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত বিচারের দাবি তুলেছেন।

গোল বন্যার ম্যাচে ভারতকে ৪-৩ ব্যবধানে হারালো ব্রাজিল

গোল বন্যার ম্যাচে ভারতকে ৪-৩ ব্যবধানে হারালো ব্রাজিল

ভারতের কেরালার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম যেন এক টুকরো রিও ডি জেনিরো হয়ে উঠেছিল। গতকাল ‘রিটার্ন অব দ্য টাইটান্স’ সিরিজের এক প্রদর্শনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল লেজেন্ডস ও ইন্ডিয়ান অল স্টারস। রোমাঞ্চ আর উত্তেজনায় ভরপুর সেই ম্যাচে সাত গোলের থ্রিলারে শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে লাতিন আমেরিকার ফুটবল কিংবদন্তিরা।ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের ফুটবলারদের পায়ে পুরোনো সেই জাদুর ছোঁয়া দেখতে পেয়ে গ্যালারির দর্শকরা বুঁদ হয়ে ছিলেন। খেলার ১৪ মিনিটে কেরালার স্থানীয় তারকা সি.কে. বিনেত দারুণ এক ফিনিশিংয়ে স্বাগতিকদের ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিলে স্টেডিয়ামজুড়ে আনন্দের জোয়ার বয়।তবে সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ টিকতে দেয়নি ব্রাজিলিয়ানরা। ২১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ঠান্ডা মাথায় গোল করে স্কোরলাইন সমতায় ফেরান রোনালদিনহো। এরপর থেকেই ম্যাচের লাগাম নিজেদের হাতে তুলে নেন ফার্নানদিনহো। একে একে দুর্দান্ত তিন গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি, যা ব্রাজিলকে ৪-১ গোলের শক্ত লিড এনে দেয়। শেষ দিকে সি.কে. বিনেত নিজের দ্বিতীয় গোলটি করার পর অন্তিম মুহূর্তে অসীম বিশ্বাস আরও একটি গোল শোধ করে ব্যবধান কমালেও হার এড়াতে পারেনি ভারতীয় একাদশ।কেবল মাঠের ৯০ মিনিটের ফুটবল নয়, এই লড়াইয়ের মূল আকর্ষণ ছিল দুই দলের ডাগআউট ও একাদশের তারকার সমাহার। প্রায় এক দশক পর কেরালায় পা রাখা রোনালদিনহোর পায়ের জাদু দেখার জন্য মুখিয়ে ছিল দর্শকরা। তার সঙ্গে মাঠে ছিলেন ১৯৯৯ সালের ব্যালন ডি'অর জয়ী রিভালদো, এদমিলসন ও পাওলো সার্জিওদের মতো বিশ্বজয়ীরা।ম্যাচ শেষে ভারতের আই.এম. বিজয়ন ও বাইচুং ভুটিয়ারা রিভালদোদের সঙ্গে ক্যামেরাবন্দি হতে ব্যস্ত সময় পার করেন। গত বছর চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম আসরে ব্রাজিল ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল, আর কোচির এই দ্বিতীয় লড়াইয়ে গোলের ফুলঝুরি ফুটিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের তৃষ্ণা মিটিয়ে দিল এই কিংবদন্তিরা।এদিকে সামনে আরও একবার ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিলের লড়াই দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব। আগামী ৩ অক্টোবর ২০২৬ কলকাতার ঐতিহাসিক সল্টলেক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় ভারতের জাতীয় দলের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। 

দ্বিতীয় দফায় দেশব্যাপী ৩৪ লাখ শিশুকে হামের টিকাদান শুরু

দ্বিতীয় দফায় দেশব্যাপী ৩৪ লাখ শিশুকে হামের টিকাদান শুরু

দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে প্রথম দফায় টিকার বাইরে থাকা প্রায় ৩৪ লাখ শিশুকে এমআর (হাম-রুবেলা) টিকার আওতায় আনতে দ্বিতীয় দফার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। টিকাদানের এ ক্যাম্পেইন চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তির টিএনটি খেলার মাঠে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের পর নিয়মিত চার বছর পরপর পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও এমআর টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ ছিল। এর ফলে বিপুলসংখ্যক শিশু টিকার সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ভাগ্যক্রমে কিংবা দুর্ভাগ্যবশত, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর ওই চার বছরের খেসারত আমাদের ওপর এসে পড়েছে। আমাদের জাতিকে, আমাদের মায়েদের অনেক কষ্ট পেতে হয়েছে, অনেক মায়ের বুক খালি হয়ে গেছে। এ জন্য আমি সত্যিই ব্যথিত।বিভিন্ন মহামারিতে চিকিৎসকদের অবদানের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের চিকিৎসকেরা সব সংকট ও জরুরি পরিস্থিতিতে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা আমাদের ডাক্তারদের কাছে ঋণী। করোনাকালে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ ও প্রতিবেশী দেশের তুলনায় আমাদের চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং শতাধিক চিকিৎসকের আত্মত্যাগের কারণে বাংলাদেশে মৃত্যুহার তুলনামূলক কম ছিল। এটি আমাদের নিজস্ব চিকিৎসকদের অবদান ও প্রচেষ্টার ফল।তিনি আরও বলেন, পুষ্টিহীনতায় ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে হাম থেকে নিউমোনিয়ায় জটিলতা তৈরি হয়ে মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশীয় চিকিৎসকদের উদ্ভাবন ও সেবারও প্রশংসা করেন তিনি।গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা গড়ে তোলা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। হাম ও অন্যান্য মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমাজের সব পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিলে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য বিশেষ এমআর টিকাদান কর্মসূচিতে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়। তবে ২৮ জুনের জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনে একই বয়সী ২ কোটি ২৩ লাখ শিশু অংশ নেওয়ায় প্রায় ৪৩ লাখ শিশু টিকার বাইরে থাকার বিষয়টি শনাক্ত হয়। তাদের অন্তর্ভুক্ত করতেই দ্বিতীয় দফার এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

অনলাইন জরিপ
২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন