মুন টাইমস নিউজ
বন্যায় মরদেহ ভেসে গেছে অনেক দূরে, মর্গগুলোতেও আর জায়গা নেই

নেপালে মানবিক বিপর্যয়

বন্যায় মরদেহ ভেসে গেছে অনেক দূরে, মর্গগুলোতেও আর জায়গা নেই

নেপালের ভোটেকোশি জেলার ভোটেকোশী নদীতে গত বুধবার শক্তিশালী আকস্মিক বন্যায় শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ৫৪৭টি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য দিয়েছে দেশটির পুলিশ।সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, ভোটেকোশিতে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটলেও পানির প্রচণ্ড বেগের কারণে মরদেহগুলো দূরের জেলাতে চলে এসেছে। এখন বেশিরভাগ মরদেহ সেসব জেলা থেকেই উদ্ধার করা হচ্ছে।এরমধ্যে মরদেহের সংখ্যা বাড়তে থাকায় মর্গের জায়গাও কমে আসছে। ফলে মরদেহ রাখা ও এগুলোর পরিচয় শনাক্তের জন্য হিমশিম খেতে হচ্ছে।সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, রাসুয়া এবং নুয়াকোট জেলার মানুষের মরদেহ পাওয়া গেছে নদীর ভাটির অঞ্চল চিতওয়ান, তানাহুন, নাওয়ালপারাসি এবং অন্যান্য এলাকায়।অপরদিকে নুয়াকোট, ধাদিং এবং নাওয়ালপারাসির মর্গগুলোর জায়গা ফুরিয়ে এসেছে। কিছু মরদেহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর মর্গে পাঠানো হয়েছে। চিতওয়ানের হাসপাতালের মর্গ ভরে উঠায় অস্থায়ী মর্গ তৈরি করা হয়েছে। অপরদিকে অন্যান্য জেলা থেকে মরদেহ আসায় পোখরার হাসপাতালের মর্গও ভরে উঠছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চিতাওয়ানে ত্রিশূলি এবং নারায়ণি নদীর পাশ থেকে ১৩৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেখানে আজও মরদেহ মিলছে।চিতাওয়ান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের মর্গে সাধারণত ৩০ থেকে ৫০টি মরদেহ রাখা যায়। এখন অস্থায়ী যে মর্গ তৈরি করা হচ্ছে সেখানে প্রায় ২৫০টি মরদেহ রাখা যাবে।চিতাওয়ানে যেহেতু সবচেয়ে বেশি মরদেহ আছে তাই বন্যাকবলিত জেলাগুলোর মানুষ এখানে আসছেন তাদের প্রিয়জনের খোঁজে।সুত্র: ঢাকা পোষ্ট 

সারাদেশে আরও পাঁচ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

সারাদেশে আরও পাঁচ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

সারা দেশে আগামী কয়েকদিন বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী সপ্তাহজুড়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রায় সামান্য ওঠানামা হতে পারে।শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (পাঁচ দিন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে বলা হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের সব বিভাগেই কমবেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ে তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।তৃতীয় দিনে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।চতুর্থ দিনে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সঙ্গে কমতে পারে তাপমাত্রা।এদিকে সেপ্টেম্বরের শুরুর দিনেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

স্লোগান নয়, সমাধানের রাজনীতিতে আগ্রহী তরুণরা

স্লোগান নয়, সমাধানের রাজনীতিতে আগ্রহী তরুণরা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আগে বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত ধারণা ছিল, নতুন প্রজন্ম রাজনীতি নিয়ে খুব একটা ভাবে না। বিশেষ করে জেন-জি নাকি রাজনীতিবিমুখ, ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবন নিয়েই তাদের ব্যস্ততা। জুলাই ২০২৪ সেই ধারণাকে বড় ধাক্কা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজপথ, অনলাইন থেকে অফলাইন—তরুণদের অভূতপূর্ব অংশগ্রহণ দেখিয়েছে, সুযোগ পেলে এই প্রজন্ম শুধু রাজনীতি নিয়ে কথা বলে না, গতিপথও বদলে দিতে পারে।তবে প্রশ্ন হচ্ছে, তরুণরা কি সত্যিই প্রচলিত ধারার রাজনীতি চায়?জুলাইয়ের পর তরুণদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে, বিশেষ করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন অরাজনৈতিক তরুণদের সঙ্গে কথা বলে বিষয় স্পষ্ট হয়: তারা রাজনীতিবিমুখ নয়, আসলে তারা প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতি অনাগ্রহী।এর পক্ষে সাম্প্রতিক তথ্যও আছে। ২০২৫ সালে দুই হাজার তরুণের ওপর সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) এবং অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ পরিচালিত জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, ৮২.৭ শতাংশ উত্তরদাতা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে আগ্রহী নন। তবে এর কারণ হিসেবে ৫৮.৭ শতাংশ রাজনৈতিক সহিংসতা ও প্রতিক্রিয়ার ভয় এবং ৫৬.৪ শতাংশ দুর্নীতি ও রাজনীতিতে নৈতিকতার ঘাটতির কথা বলেছেন।আবার একই সময়ে বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টারের (বিওয়াইএলসি) 'ইয়ুথ ম্যাটার্স সার্ভে ২০২৫'-এ ১৮-৩৫ বছর বয়সী ২,৫৪৫ তরুণের মধ্যে রাজনীতির প্রতি স্পষ্ট আগ্রহ ও মতাদর্শগত বিভাজন দেখা গেছে। বিএনপি, জামায়াত, আওয়ামী লীগ ও এনসিপিসহ বিভিন্ন দলের প্রতি সমর্থন থাকলেও প্রায় ৩০ শতাংশ তরুণ তখনও সিদ্ধান্তহীন ছিলেন। অর্থাৎ তরুণরা নিজেদের পছন্দ নিয়ে ভাবছে এবং প্রচলিত রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে থাকার সিদ্ধান্তও নিচ্ছে।তরুণদের রাজনৈতিক চাহিদার গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, তারা বিমূর্ত প্রতিশ্রুতির চেয়ে বাস্তব সমস্যার সমাধান দেখতে চায়। বিওয়াইএলসির ২০২৫ সালের জরিপে দুর্নীতি দূরীকরণকে ৬৭.১ শতাংশ, বেকারত্বকে ৫৫.৯ শতাংশ, মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকটকে ৪৩.৪ শতাংশ এবং আইনশৃঙ্খলাকে ২৩.৫ শতাংশ তরুণ আগামী পাঁচ বছরের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।সংখ্যাগুলো দেখাচ্ছে, তরুণদের কাছে রাজনীতি এখন শুধু ডান-বাম, জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা ও কোনো ঐতিহাসিক ইস্যুর বিতর্ক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। তাদের কাছে রাজনীতি অনেক বেশি বাস্তবমুখী। তারা জানতে চায়—চাকরি কোথায়? বাজারের মূল্যস্ফীতি কমবে কীভাবে? ভূমি অফিসে নামজারি করতে কেন দিনের পর দিন ঘুরতে হবে? থানায় সেবা পেতে পরিচিত লোক কেন লাগবে? গণপরিবহনে ভোগান্তি কমবে কীভাবে? সরকারি হাসপাতালের সেবা কীভাবে সহজ হবে?এই জায়গা থেকেই মনে হয়েছে, তরুণদের মধ্যে নতুন ধরনের রাজনৈতিক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, যাকে অ্যাকশনেবল পলিটিক্স বলা যায়; অর্থাৎ এমন রাজনীতি, যার প্রতিটি প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বাস্তব কাজের পরিকল্পনা থাকে।এই প্রজন্মের রাজনৈতিক যোগাযোগের ধরনও আলাদা। ইনোভেশনের ২০২৫ সালের ন্যাশনাল পোলে দেখা যায়, জেন-জি ভোটারদের মধ্যে ভোটসংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা ২৪.৪ শতাংশ, পক্ষান্তরে মিলেনিওালদের ক্ষেত্রে তা ১৮.১ শতাংশ। একই জরিপে জেন-জির ৩৩.৬৪ শতাংশ তখনও ভোটের সিদ্ধান্ত নেয়নি, যা অন্য বয়সী গোষ্ঠীর তুলনায় বেশি। সহজ করে বললে, তরুণরা শুধু নেতার মিছিল দেখতে আগ্রহী নয়, তারা নেতার বক্তব্য শুনতে চায়। শুধু পোস্টার নয়, পরিকল্পনা দেখতে চায়। শুধু প্রতিশ্রুতি শুনতে চায় না, সঙ্গে জানতে চায় সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন কীভাবে হবে।এখানেই প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে তাদের বড় সংঘাত। ‘অমুক ভাই, তমুক ভাই’ সংস্কৃতি, নেতার সামনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা, নেতার গাড়ির পেছনে দৌড়ানো, অতিরিক্ত মিছিল, পোস্টার, মাইকিং ও নেতাকে ঘিরে ব্যক্তিপূজা—এসবের প্রতি তরুণদের আগ্রহ একেবারেই তলানিতে। তার বদলে তারা পডকাস্ট, অনলাইন সাক্ষাৎকার, রিলস, ডেটাভিত্তিক আলোচনা, বিতর্ক এবং সরাসরি প্রশ্নোত্তরকে বেশি গ্রহণ করছে। যার ফলে যোগাযোগের পরিবর্তনের সঙ্গে নেতৃত্বের ধারণারও পরিবর্তন হয়েছে।তবে এখানে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য সতর্কবার্তাও আছে। তরুণদের সব প্রত্যাশাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ট্রেন্ড ভেবে ভুল করলে চলবে না। শুধু তরুণ মুখ, নতুন লোগো ও ডিজিটাল ক্যাম্পেইন দিয়ে নতুন রাজনীতি তৈরি হয় না। বিআইজিডির ২০২৪ সালের গবেষণাতেও দেখা গেছে, তরুণদের নেতৃত্বাধীন নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে জনমত বিভক্ত ছিল; সমর্থকদের কাছে নতুন চিন্তা, সাহস ও পরিবর্তনের সম্ভাবনা গুরুত্বপূর্ণ হলেও সংশয়বাদীরা অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বের সক্ষমতা ও সাংগঠনিক দুর্বলতাকে বড় সমস্যা হিসেবে দেখেছেন।তাই নতুন রাজনীতির প্রথম কাজ হওয়া উচিত বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করা এবং তার সমাধানের সক্ষমতা তৈরি করা। কোনো রাজনৈতিক নেতা যদি বলে ভূমি অফিসের সেবা সহজ করবে, তাহলে তাকে দেখাতে হবে কীভাবে করবে। যদি দ্রব্যমূল্য কমানোর কথা বলে, তাহলে সরবরাহ ব্যবস্থা, বাজার মনিটরিং ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা দিতে হবে। যদি বেকারত্ব নিয়ে কথা বলে, তাহলে শুধু চাকরির সংখ্যা নয়—দক্ষতা, বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা তৈরির পরিকল্পনাও সামনে আনতে হবে। অর্থাৎ প্রতিটি সমস্যার বিপরীতে অ্যাকশন প্ল্যান বা সমাধানের বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা দেখাতে হবে।এক্ষেত্রে রাজনীতির ভাষাটা বদলানো জরুরি। নেতাকে সবজান্তা অভিভাবক হিসেবে উপস্থাপনের বদলে তাকে জবাবদিহিমূলক প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নির্বাচনি ইশতেহারকে কেবল প্রতিশ্রুতির বই না বানিয়ে পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য, সময়সীমা এবং অগ্রগতি প্রকাশের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।জুলাই প্রজন্ম আমাদের একটি জিনিস অন্তত শিখিয়েছে, তরুণদের অবমূল্যায়ন করা বিপজ্জনক। তারা রাজনীতি বোঝে না, ধারণাটি ভুল। তারা রাজনীতি বুঝতে চায় নিজেদের বাস্তব জীবন দিয়ে।প্রচলিত দলগুলোর কাছে প্রশ্নটি এখন আর ‘তরুণরা রাজনীতি সচেতন কি না’ না হয়ে, 'তরুণরা যে রাজনীতি চায়, সেই রাজনীতি করার মতো সক্ষমতা রাজনৈতিক দলগুলোর আছে কি না'—সে আত্মসমালোচনা করা উচিত।তরুণদের এই মনস্তত্ত্ব যত দ্রুত রাজনৈতিক দলগুলো বুঝতে পারবে, বাংলাদেশের রাজনীতি তত দ্রুত নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবে। আর আমরা যারা নতুন রাজনীতির কথা বলছি, তাদের জন্য সুযোগ আরও বড়। যদি আমরা স্লোগানের সঙ্গে সমাধান, ব্যক্তিপূজার পরিবর্তে জবাবদিহিতা এবং মিছিলের প্রদর্শনী পরিহার করে বাস্তব কাজকে রাজনীতির কেন্দ্র করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।© প্রথম আলো  

অভিনেত্রী থেকে এবার ব্যবসায়ী সামিরা খান মাহি

অভিনেত্রী থেকে এবার ব্যবসায়ী সামিরা খান মাহি

অভিনয়ের পাশাপাশি এবার ব্যবসায়িক অঙ্গনেও যাত্রা শুরু করলেন অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি। একটি গাড়ির ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার হিসেবে যুক্ত হয়েছেন তিনি।সোমবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানান এই অভিনেত্রী।তবে ব্যাবসায়িক অঙ্গনে মাহির যাত্রা একেবারে নতুন নয়। প্রায় দুই বছর আগে থেকেই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত আছেন তিনি। এত দিন ব্যবসার বিভিন্ন দিক বুঝতে এবং কার্যক্রম সম্পর্কে অভিজ্ঞতা নিতে সময় নিয়েছেন।এবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের ব্যাবসায়িক সম্পৃক্ততার কথা প্রকাশ্যে আনলেন। নতুন এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য ব্র্যান্ড-নিউ, রিকন্ডিশন্ড এবং প্রি-ওনড বা ব্যবহৃত গাড়ির বড় সংগ্রহ নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে মাহির। প্রতিষ্ঠানটি চীন, জাপান ও ইউরোপ থেকে ব্র্যান্ড-নিউ গাড়ি আমদানি করবে। পাশাপাশি জাপান থেকে আনা হবে রিকন্ডিশন্ড গাড়িও।শুধু দেশীয় বাজারে সীমাবদ্ধ না থেকে ব্যবসাটিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে পরিচালনার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন মাহি। তার ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আন্তর্জাতিকভাবেই পরিচালনা করা হবে।অভিনয়ের পাশাপাশি নতুন এই ব্যবসায়িক উদ্যোগ নিয়ে আশাবাদী মাহি। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসার বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ ও বোঝার পর এবার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ফলে অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যাবসায়িক অঙ্গনেও অভিনেত্রীর নতুন পরিচয় যুক্ত হলো।

ঝড়ের পর জারিফের আক্ষেপ, অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিশাল জয়

ঝড়ের পর জারিফের আক্ষেপ, অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিশাল জয়

টি-টোয়েন্টি নাকি ওয়ানডে হচ্ছে? গেম ডেভোলপমেন্ট ট্রফির (জিডি ট্রফি) উদ্বোধনী ম্যাচের শুরুটা দেখে প্রেসবক্সে সবার মুখে এটাই ছিল প্রথম প্রশ্ন। অবশ্য অনূর্ধ্ব-১৭ দলের বিপক্ষে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের জারিফ সিয়াম ও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ যে ধ্বংসাত্মক শুরুটা করেছিলেন তাতে এমন প্রশ্ন হওয়া স্বাভাবিক!দূর্দান্ত খেলতে থাকা জারিফ অবশ্য মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেছেন। তবে এতেও পাহাড়সম সংগ্রহ গড়ে অনূর্ধ্ব-১৯ দল। অনূর্ধ্ব-১৭ দলের বিপক্ষে সেটা টপকানো সম্ভব হয়নি।শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিডি ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে অনূর্ধ্ব-১৭ দলকে ২৪৬ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে অনূর্ধ্ব-১৯ দল। বৃষ্টিতে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে আসে ৪৩ ওভারে। সেখানে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩২৯ রান করে ১৯ দল। জবাবে ২৯.১ ওভারে ৮৩ রানেই গুটিয়ে যায় ১৭ দল।রান তাড়ায় ১৪ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারায় ১৭ দল। ২০ রানের মাথায় পড়ে চতুর্থ উইকেট। দুই ওপেনারের কেউই রানের খাতা খুলতে পারেননি। তিনে নামা নয়ন বাবু ২২ বল থেকে করেছেন ৬ রান। সৌরভ কর্মকার ৩ বলে ৪ রান করেন। মাঝে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন ইমরান ভূঁইয়া। ৪৭ বলে ২৪ রান করেছেন তিনি।এরপর শেষ দিকে রিফাত হাওলাদার ২৬ বলে ১০ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ২৯.১ ওভারের খেলা শেষে ৮৩ রান তুলে অল আউট হয়েছে অনূর্ধ্ব-১৭ দল। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে ৩ উইকেট নেন শাকিল খান। ২টি করে উইকেট তোলেন শেখ আতিকুর রহমান এবং তাফিউল আলম তামিম।এর আগে টস জিতে ব্যাটিং করতে নামা অনূর্ধ্ব-১৯ দল। দুই ওপেনার জারিফ সিয়াম এবং মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মুহির ব্যাটে ভর করে উড়ন্ত সূচনা পায়। ওপেনিং জুটিতে মাত্র ৩.৫ ওভার থেকেই চলে আসে ৪৩ রান। তবে মুহি বেশিক্ষণ টিকতে পারেনন, ১০ বলে ১১ রান করে ফিরে যান। আদ্রিত ঘোষ তিন নম্বরে নেমে দ্রুত ফিরে যান।এরপর মোহাম্মদ আহসান আল মুমিনকে নিয়ে ম্যারাথন জুটি গড়েন জারিফ। ৯৯ রান করে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে থাকা অবস্থায় মুমিনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন জারিফ। ৭৬ বলের ইনিংসে ১২ চার ও ৩ ছক্কা হাকান তিনি। এরপর আহসান ফিফটি হাঁকিয়ে বেশি দূর আগাতে পারেননি। ৬৫ বলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৬৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।ফরিদ হাসান ফয়সাল শেয়দিকে ৫৩ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৬২ রানের ইনিংস খেলেন। শেষ পর্যন্ত ৪৩ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩২৯ রানের বিশাল পুঁজি দাঁড় করায় অনূর্ধ্ব-১৯ দল। অনূর্ধ্ব-১৭ দলের হয়ে ৩ উইকেট শিকার করেছেন ইয়াসিন মজুমদার। ২ উইকেট নেন সিফাত আলী।

ডায়াবেটিস বাড়াচ্ছে সকালের এই ৫টি অভ্যাস!

ডায়াবেটিস বাড়াচ্ছে সকালের এই ৫টি অভ্যাস!

মিষ্টি না খেলেও বাড়তে পারে রক্তে শর্করা! কারণ, প্রতিদিনের কিছু ভুল অভ্যাসও সুগার নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে সকালের এই ৫টি অভ্যাস।প্রথমত, খালি পেটে চিনি দেওয়া চা বা কফি। ঘুম থেকে উঠেই চা-কফির সঙ্গে চিনি বা বিস্কুট খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। তাই আগে পুষ্টিকর নাশতা করা ভালো।দ্বিতীয়ত, ঘুম থেকে উঠে দীর্ঘক্ষণ মোবাইল স্ক্রল করে বসে থাকা। সকালে কিছুটা হাঁটাচলা করলে শরীর সক্রিয় হয় এবং গ্লুকোজ ব্যবহারে সহায়তা করে।তৃতীয়ত, সকালে ধূমপান করা। নিকোটিন ইনসুলিনের কার্যকারিতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।চতুর্থত, সকালে পানি না খাওয়া। ঘুমের পর শরীরে কিছুটা পানিশূন্যতা থাকতে পারে। তাই দিনের শুরুতে পর্যাপ্ত পানি পান করা ভালো অভ্যাস।আর পঞ্চমত, নাশতা অযথা অনেক দেরি করে করা। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে শরীর লিভার থেকে গ্লুকোজ রক্তে ছাড়তে পারে, যা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সুগার বাড়াতে পারে।তাই সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুধু মিষ্টি কমানো নয় সকালের এই অভ্যাসগুলোও ঠিক করুন। নিয়মিত হাঁটুন, সুষম নাশতা করুন এবং ধূমপান এড়িয়ে চলুন।

অনলাইন জরিপ
২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন