মুন টাইমস নিউজ
সর্বশেষ
জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সরকার সবসময় থাকবে বলে দৃঢ় আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সীমিত সম্পদের মধ্যেও এসব পরিবারের পাশে থাকার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়ার উপলক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।তিনি বলেন, ‘সীমিত সম্পদের মধ্যেও আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে এসব পরিবারের পাশে থাকার। যে অপূরণীয় ক্ষতি আপনাদের হয়েছে, তা কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়। তবুও আমরা আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।’প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ ও এ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদ এবং ভুক্তভোগীদের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ।’আবেগময় কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের এই অনুষ্ঠানটি আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা এমন কিছু মানুষকে স্মরণ করছি, যাদের আজ আমাদের মাঝে থাকার কথা ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তারা নেই। তাদের এই মহান ত্যাগের বিনিময়েই আজ দেশের ২০ কোটি মানুষ একটি ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েছে।’তিনি বলেন, ‘আজকে যারা আমাদের মধ্যে অনুপস্থিত তারা কোথায়, কী অবস্থায় আছে, তা একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিন জানেন। আমাদের উচিত হবে দু হাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করা, সেই মানুষগুলোকে আল্লাহ যাতে সর্বোচ্চ ভালো অবস্থায় রাখে।’১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং সর্বশেষ জুলাই অভ্যুত্থানে আত্মদানকারীদের কথা উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিরা এবং জুলাই আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্তদের যে লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা ছিল-এই সরকার তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। হয়তো বিভিন্ন বাস্তবতার কারণে অনেক সময় দ্রুত সবকিছু সম্ভব হয় না, কিন্তু আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবে বড় কিছু অর্জন করতে গিয়ে যারা বড় ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তারা অনেকেই আজ আমাদের মাঝে নেই। যারা রয়েছে তাদের বলবো, আপনারা এ দেশের মানুষের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন, বিভিন্নভাবে শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করবে, আপনারা যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে নিজেদের জীবন বাজি রেখেছেন, সেই সেই লক্ষ্য ও বাস্তবায়ন করতে।’সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে সরকারের কাজের মূল প্রেরণা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অনেকে বলতে পারেন সরকার এই পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু আমি বলব- আপনাদের এই ত্যাগ, সমর্থন ও সহযোগিতার কারণেই সরকার পূর্ণ উদ্যমে কাজ করার সাহস পাচ্ছে। আপনারাই আমাদের শক্তি ও উদ্দীপনার মূল উৎস।’অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানে আহত পরিবারের সদস্যরাও বক্তব্য দেন। এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, হাসান শিপলু. সুজাউদ্দৌলা, শাহাদাৎ স্বাধীন, সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক, শাহরিয়ার পামির, বিএনপি আমার পরিবারের সদস্য মোকছেদুল মোমিন মিথুন প্রমুখ।© ঢাকা পোস্ট

রাত ৯টার মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা

রাত ৯টার মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় শনিবার রাত ৯টার মধ্যে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেল ৫টা ২০ মিনিট থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এ বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিষয়ক পূর্বাভাসদাতা মোবাইল অ্যাপ ‘আবহাওয়াবিদ’।পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঢাকা, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, চট্টগ্রাম, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।এছাড়া টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, জামালপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, বান্দরবান, কক্সবাজার, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর কিছু কিছু এলাকাতেও বৃষ্টিপাত হতে পারে।পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় চট্টগ্রাম বিভাগের রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির দু-একটি জায়গায় এবং সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট ও সুনামগঞ্জের বেশ কিছু এলাকায় হালকা বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য জেলারও দু-একটি এলাকায় রাত ৯টার মধ্যে হালকা বৃষ্টি হতে পারে।© কালবেলা 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইস্যুতে সরকারকে চাপে ফেলতে গিয়ে নিজেই ‘বিপাকে’ হাসনাত আবদুল্লাহ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইস্যুতে সরকারকে চাপে ফেলতে গিয়ে নিজেই ‘বিপাকে’ হাসনাত আবদুল্লাহ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনসার্ট ও নৌকাবাইচ বন্ধসহ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করে সরকারকে চাপে ফেলতে চেয়েছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তবে তার ওই বক্তব্যের পরই শুরু হয়েছে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। ক্ষমা না চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এনসিপির কোনো কর্মসূচি হতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ। এতে শনিবারের এনসিপির সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘিরে জেলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনসার্ট ও নৌকাবাইচ বন্ধ হওয়ার বিষয়ে সম্পূরক প্রশ্ন করেছিলেন কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। একই সঙ্গে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার বক্তব্যের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুরু হয়েছে প্রতিবাদ। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাতে বিক্ষোভ মিছিল করে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ।সংসদে কী বলেছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ?জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছে একটি সম্পূরক প্রশ্ন করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রতি মাসে গড়ে ২৬০টি হত্যাকাণ্ড হয়েছে, আর বর্তমান সরকারের সময়ে হয়েছে ৩১১টি। অন্তর্বর্তী সরকারের ছয় মাসে খুন হয়েছেন ১ হাজার ৭৮০ জন এবং বর্তমান সরকারের ছয় মাসে খুন হয়েছেন ১ হাজার ৭৮৯ জন।হাসনাত আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ছয় মাসে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ছিল ১ হাজার ৯০টি। বর্তমান সরকারের সময়ে এই সংখ্যা ১১ হাজার ১৬৫টি। আগের সরকারের ছয় মাসে গণপিটুনিতে নিহত হন ১৬৬ জন, বর্তমান সরকারের সময়ে নিহত হয়েছেন ১২০ জন। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা আগের সময়ে ছিল ২৭৫টি, বর্তমান সরকারের সময়ে হয়েছে ৩১৭টি।এরপর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন হাসনাত আবদুল্লাহ।সম্পূরক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান-বাজনা, সিনেমা নাকি বন্ধের মতোই। আমি আপনার (স্পিকার) মাধ্যমে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাই, এই ছয় মাসে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ল’ অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশন রিস্টোর করতে পেরেছেন কি না? এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি পর্যাপ্ত ভূমিকা রাখতে পেরেছেন কি না?’তিনি আরও জানতে চান, গত ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনরুদ্ধার বা নিয়ন্ত্রণে তিনি কতটা ভূমিকা রাখতে পেরেছেন এবং এ ক্ষেত্রে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন কি না।হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এটা প্রশ্ন, না পল্টনের বক্তৃতা বুঝতে পারিনি।তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে ছয় মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সফল হয়েছেন কি না এটি একটি প্রশ্ন। আর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় সিনেমা হল কেন নেই, সেটি আরেকটি প্রশ্ন।’হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যে উল্লেখ করা হত্যা ও আহতের পরিসংখ্যান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, ‘কত হত্যা হয়েছে, জখম হয়েছে ইত্যাদি যে ডাটা দিলেন, সেই ডাটাটা কীসের ভিত্তিতে দিলেন, কী পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দিলেন, সেই স্ট্যাটিস্টিকটা আমি জানি না।’স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং তা দৃশ্যমান। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের ঘটনায় অপরাধীদের ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে তা উল্লেখ করা হলে তিনি ৩০০ বিধিতে সংসদে বিবৃতি দিতে পারবেন।হাসনাতের বক্তব্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভএদিকে সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহর দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ। রাত পৌনে ১২টার দিকে শহরের জামিয়া ইউনিসিয়া মাদ্রাসা থেকে মিছিলটি বের হয়। পরে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভকারীরা সমাবেশ করেন।সমাবেশে বক্তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের সমালোচনা করেন। এ সময় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা এবং বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত জেলায় এনসিপির কোনো কর্মসূচি হতে দেওয়া হবে না বলেও ঘোষণা দেন তারা।শনিবার (২৯ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এনসিপির সাংগঠনিক কর্মসূচি রয়েছে। এর আগেই হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ ও কর্মসূচি প্রতিহতের ঘোষণায় জেলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত এনসিপির কোনো নেতাকে কথা বলতে দেখা যায়নি। হাসনাত আব্দুল্লাহরও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের প্রতিবাদে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। তবে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আগামীকালের (৩০ আগস্ট) এনসিপির কর্মসূচি ঘিরে পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।© কালবেলা 

অভিনেত্রী থেকে এবার ব্যবসায়ী সামিরা খান মাহি

অভিনেত্রী থেকে এবার ব্যবসায়ী সামিরা খান মাহি

অভিনয়ের পাশাপাশি এবার ব্যবসায়িক অঙ্গনেও যাত্রা শুরু করলেন অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি। একটি গাড়ির ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার হিসেবে যুক্ত হয়েছেন তিনি।সোমবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানান এই অভিনেত্রী।তবে ব্যাবসায়িক অঙ্গনে মাহির যাত্রা একেবারে নতুন নয়। প্রায় দুই বছর আগে থেকেই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত আছেন তিনি। এত দিন ব্যবসার বিভিন্ন দিক বুঝতে এবং কার্যক্রম সম্পর্কে অভিজ্ঞতা নিতে সময় নিয়েছেন।এবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের ব্যাবসায়িক সম্পৃক্ততার কথা প্রকাশ্যে আনলেন। নতুন এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য ব্র্যান্ড-নিউ, রিকন্ডিশন্ড এবং প্রি-ওনড বা ব্যবহৃত গাড়ির বড় সংগ্রহ নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে মাহির। প্রতিষ্ঠানটি চীন, জাপান ও ইউরোপ থেকে ব্র্যান্ড-নিউ গাড়ি আমদানি করবে। পাশাপাশি জাপান থেকে আনা হবে রিকন্ডিশন্ড গাড়িও।শুধু দেশীয় বাজারে সীমাবদ্ধ না থেকে ব্যবসাটিকে আন্তর্জাতিক পরিসরে পরিচালনার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন মাহি। তার ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আন্তর্জাতিকভাবেই পরিচালনা করা হবে।অভিনয়ের পাশাপাশি নতুন এই ব্যবসায়িক উদ্যোগ নিয়ে আশাবাদী মাহি। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসার বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ ও বোঝার পর এবার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ফলে অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যাবসায়িক অঙ্গনেও অভিনেত্রীর নতুন পরিচয় যুক্ত হলো।

ইনজুরি শঙ্কায় শুধু টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের ভাবনায় বর্ষণ

ইনজুরি শঙ্কায় শুধু টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের ভাবনায় বর্ষণ

দক্ষিণ আফ্রিকাতে ত্রিদলীয় সিরিজে বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন রোহানতদৌলা বর্ষণ। তবে তরুণ এই পেসারকে নিয়ে চিন্তা বাড়ছে বিসিবির। পিঠের নিচের অংশের ব্যথার জন্য প্রায় ১৫ মাস মাঠের বাইরে ছিলেন ২১ বছরের এই তরুণ পেসার। এরপর মাঠে ফিরে এইচপির হয়ে খেলতে গিয়ে আবারও চোটের কবলে বর্ষণ। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে খেলে বর্ষণ যোগ দিয়েছিলেন টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ এইচপি দলে। তবে সেই পুরোনো ব্যাথার কারণে কোনো ম্যাচেই মাঠে নামা হয়নি তার। গতকাল অস্ট্রেলিয়ার চিকিৎসককে দেখিয়েছিলেন। এরপর স্ক্যানও করা হয়েছে। অপেক্ষা এখন রিপোর্টের, তবে সবমিলিয়ে আবারও মাসখানেকের বিশ্রামে যেতে হচ্ছে বর্ষণকে। বয়স কম থাকায় এমন ইনজুরির কারণে লাল বলে খেললে সেটা বড় আকার ধারণ করতে পারে। বিসিবির একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, ইনজুরি শঙ্কা থাকায় বর্ষণ এখন থেকে কেবল টি-টোয়েন্টির ভাবনাতে রয়েছেন।এর আগে দীর্ঘদিন পর চলতি বছরে মাঠে ফিরে সর্বশেষ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে দারুণ পারফর্ম করেন বর্ষণ। এরপর হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েও ওয়ানডেতে ১২ উইকেট শিকার করেন। পরে অস্ট্রেলিয়ায় টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়ে আবার পুরনো চোটে পড়েছেন বর্ষণ। © ঢাকা পোষ্ট 

ডায়াবেটিস বাড়াচ্ছে সকালের এই ৫টি অভ্যাস!

ডায়াবেটিস বাড়াচ্ছে সকালের এই ৫টি অভ্যাস!

মিষ্টি না খেলেও বাড়তে পারে রক্তে শর্করা! কারণ, প্রতিদিনের কিছু ভুল অভ্যাসও সুগার নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে সকালের এই ৫টি অভ্যাস।প্রথমত, খালি পেটে চিনি দেওয়া চা বা কফি। ঘুম থেকে উঠেই চা-কফির সঙ্গে চিনি বা বিস্কুট খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। তাই আগে পুষ্টিকর নাশতা করা ভালো।দ্বিতীয়ত, ঘুম থেকে উঠে দীর্ঘক্ষণ মোবাইল স্ক্রল করে বসে থাকা। সকালে কিছুটা হাঁটাচলা করলে শরীর সক্রিয় হয় এবং গ্লুকোজ ব্যবহারে সহায়তা করে।তৃতীয়ত, সকালে ধূমপান করা। নিকোটিন ইনসুলিনের কার্যকারিতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।চতুর্থত, সকালে পানি না খাওয়া। ঘুমের পর শরীরে কিছুটা পানিশূন্যতা থাকতে পারে। তাই দিনের শুরুতে পর্যাপ্ত পানি পান করা ভালো অভ্যাস।আর পঞ্চমত, নাশতা অযথা অনেক দেরি করে করা। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে শরীর লিভার থেকে গ্লুকোজ রক্তে ছাড়তে পারে, যা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সুগার বাড়াতে পারে।তাই সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুধু মিষ্টি কমানো নয় সকালের এই অভ্যাসগুলোও ঠিক করুন। নিয়মিত হাঁটুন, সুষম নাশতা করুন এবং ধূমপান এড়িয়ে চলুন।

অনলাইন জরিপ
২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন