মুন টাইমস নিউজ
জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, জাতীয় সংকট উত্তরণ এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য।১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় দেশের যুবসমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।তিনি স্মরণ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতি গঠনে যুবসমাজের বিপুল সম্ভাবনা উপলব্ধি করে তাদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। তার নির্দেশনায় ১৯৭৮ সালে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় নামে পরিচিতি লাভ করে।তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে যুব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৮১ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়।প্রধানমন্ত্রী আরও স্মরণ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং তাদের কারিগরি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তুলতে দেশের সব জেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।তিনি বলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এ পর্যন্ত ৮০ লাখেরও বেশি তরুণ-তরুণীকে বিভিন্ন মেয়াদে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ২৫ লাখ আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তারা মাসে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা, কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর চেয়েও বেশি আয় করছেন।প্রধানমন্ত্রী জানান, যুব উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৬১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার যুবঋণ বিতরণ করা হয়েছে।জাতীয় যুব পুরস্কারকে প্রশংসনীয় উদ্যোগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতি গঠনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পর্যন্ত ৫৪৬ জন আত্মকর্মী নার-নারী ও যুব সংগঠককে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। এ বছর পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন বর্তমান বিশ্বে যুবসমাজের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তরুণদের আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ হতে হবে।তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি অনলাইনে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ সংরক্ষণে যুবসমাজের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের আওতায় তরুণরা বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে অবদান রাখছেন।তিনি স্মার্ট কৃষি, রপ্তানিমুখী প্যাকেজিং ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিদেশি ভাষা শিক্ষা এবং নতুন সম্ভাবনাময় খাতে আরও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে নিজেদের প্রতিভা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।তিনি বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগে সহায়তা দিতে সরকার ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করেছে। সম্ভাবনাময় উদ্যোগগুলো যাতে অর্থের অভাবে ব্যর্থ না হয়, সে লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো স্টার্টআপ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।জাতীয় যুব দিবস-২০২৬-এর প্রতিপাদ্য ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দেশের উন্নয়ন, নেতৃত্ব এবং ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় যুবসমাজ ক্রমবর্ধমানভাবে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।তিনি জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, জাতীয় সংকট উত্তরণ এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান অনস্বীকার্য।১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় দেশের যুবসমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।তিনি স্মরণ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতি গঠনে যুবসমাজের বিপুল সম্ভাবনা উপলব্ধি করে তাদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। তার নির্দেশনায় ১৯৭৮ সালে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় নামে পরিচিতি লাভ করে।তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে যুব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৮১ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়।প্রধানমন্ত্রী আরও স্মরণ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং তাদের কারিগরি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তুলতে দেশের সব জেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।তিনি বলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এ পর্যন্ত ৮০ লাখেরও বেশি তরুণ-তরুণীকে বিভিন্ন মেয়াদে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ২৫ লাখ আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তারা মাসে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা, কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর চেয়েও বেশি আয় করছেন।প্রধানমন্ত্রী জানান, যুব উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৬১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার যুবঋণ বিতরণ করা হয়েছে।জাতীয় যুব পুরস্কারকে প্রশংসনীয় উদ্যোগ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতি গঠনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পর্যন্ত ৫৪৬ জন আত্মকর্মী নার-নারী ও যুব সংগঠককে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। এ বছর পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন বর্তমান বিশ্বে যুবসমাজের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তরুণদের আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ হতে হবে।তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি অনলাইনে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ সংরক্ষণে যুবসমাজের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের আওতায় তরুণরা বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে অবদান রাখছেন।তিনি স্মার্ট কৃষি, রপ্তানিমুখী প্যাকেজিং ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিদেশি ভাষা শিক্ষা এবং নতুন সম্ভাবনাময় খাতে আরও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে নিজেদের প্রতিভা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।তিনি বলেন, তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগে সহায়তা দিতে সরকার ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করেছে। সম্ভাবনাময় উদ্যোগগুলো যাতে অর্থের অভাবে ব্যর্থ না হয়, সে লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো স্টার্টআপ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।জাতীয় যুব দিবস-২০২৬-এর প্রতিপাদ্য ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দেশের উন্নয়ন, নেতৃত্ব এবং ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় যুবসমাজ ক্রমবর্ধমানভাবে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।তিনি জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

অনিবার্য বিপ্লব দরজায় কড়া নাড়ছে: বিরোধীদলীয় নেতা

অনিবার্য বিপ্লব দরজায় কড়া নাড়ছে: বিরোধীদলীয় নেতা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশে অনিবার্য বিপ্লব দরজায় কড়া নাড়ছে। সরকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, জনগণের দাবি উপেক্ষা করে স্বৈরাচারী পথে হাঁটলে অতীতের শাসকদের মতো পরিণতি ভোগ করতে হবে।আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে ঢাকা থেকে খুলনা-কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চের আগে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি।সমাবেশে যুবসমাজকে বৃহত্তর ত্যাগের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান জামায়াত আমির। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন তিনি। মাতারবাড়ি নিয়ে কী ধরনের চুক্তি হয়েছে, তা জনগণের সামনে প্রকাশ করারও দাবি জানান।শফিকুর রহমান বলেন, কানেক্টিভিটির নামে অন্য কোনো দেশের কাছে বাংলাদেশের স্বার্থ কিংবা ভূখণ্ড ইজারা দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে সরকারের প্রতি সতর্কবার্তা দেন তিনি।সমাবেশে ১১ দলের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য দেন। তারা অবিলম্বে গণভোটের রায় কার্যকর করাসহ সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

কোনো দৃশ্য কর্তন ছাড়াই ছাড়পত্র পেল এআই সিনেমা ‘গ্যাপ’

কোনো দৃশ্য কর্তন ছাড়াই ছাড়পত্র পেল এআই সিনেমা ‘গ্যাপ’

দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সহায়তায় নির্মিত দেশের প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘গ্যাপ’ প্রদর্শনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেয়েছে। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড কোনো দৃশ্য কর্তন ছাড়াই সিনেমাটিকে ছাড়পত্র দিয়েছে। সিনেমাটি দেখার পর বোর্ডের সদস্যরাও এর প্রশংসা করেছেন।মাবরুর রশিদ বান্নাহর পরিচালনায় সিনেমাটিতে অভিনয় ও দৃশ্যায়নে কাজ করেছেন আর্ক শিহাব, মাবরুর রশিদ বান্নাহ, রিজভী রিজু, সিনথিয়া ইয়াসমিন নুপুর, মিষ্টি ঘোষ, মোমেনা চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম রাফি ও জাহাঙ্গীর আলম।নির্মাতা মাবরুর রশিদ বান্নাহর মতে, ‘গ্যাপ’ নিছক একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং বাংলা চলচ্চিত্রের জগতে ভিন্নধর্মী ও সাহসী পদক্ষেপ। সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সহায়তায় সিনেমাটি নির্মাণের পরিকল্পনা শুরুতে অনেকের কাছেই অসম্ভব মনে হয়েছিল। তবে পুরো দল সেই চ্যালেঞ্জ থেকে পিছিয়ে যায়নি।বিশ্বমানের বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে দীর্ঘ প্রচেষ্টায় সিনেমাটির প্রতিটি দৃশ্য তৈরি করা হয়েছে। কোনো দৃশ্য বাদ না দিয়েই ছাড়পত্র পাওয়াকে পুরো দলের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন নির্মাতা। তাঁর বিশ্বাস, কম বাজেট ও সীমিত জনবল নিয়েও আন্তর্জাতিক মানের চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্ভব, তা প্রমাণ করবে ‘গ্যাপ’।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিনেমাটির চিত্রনাট্য, চরিত্র নির্মাণ, অ্যানিমেশন, আবহসংগীত ও দৃশ্যপ্রভাবের বড় অংশই তৈরি করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির মাধ্যমে।আকবর হায়দার মুন্নার প্রযোজনায় নির্মিত সিনেমাটি ৩১ অক্টোবর ক্লাব ইলেভেন এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

বৃষ্টির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে খেলা

মিরপুর টেস্ট / বৃষ্টির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে খেলা

দিনের প্রথম ওভারেই শেষ স্বীকৃত ব্যাটার হিসেবে ফিরে যান জাকের আলী অনিক। এরপর ছোট দুটি জুটিতে লিড দেড়শ ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ। এখনো ব্যাটিং করছে বাংলাদেশই। তবে মিরপুরের আকাশে দেখা দিয়েছে মেঘের। শুরু হয়েছে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। যে কারণে আপাতত খেলা বন্ধ রয়েছে।আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) মিরপুরে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চতুর্থ দিনে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৬ ওভার ব্যাট করে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান করেছে বাংলাদেশ। দুই ইনিংস মিলিয়ে লিড দাঁড়িয়েছে ১৫৯ রানের।জাকেরও হাঁটলেন একই পথেমিরপুরের এমন উইকেটে একটি উকেটের গুরুত্ব যে কতটা, সেটা বোধহয় ঠিক বাংলাদেশি ব্যাটাররা অনুধাবন করতে পারছেন না। সেটি হলে তো জাকের আলী অনিক আরও কিছু সময় উইকেটে টিকে থাকতেন। কিন্তু না, তিনিও ফিরলেন হতাশ করে। উইকেটে এখন আর কোনো স্বীকৃত ব্যাটার নেই বাংলাদেশের।চতুর্থ দিনের সকালটা যে কঠিন হবে সেটি অনুমেয়ই ছিল। একে তো গতকাল থেকে উইকেট থেকে স্পিনাররা সহায়তা পাচ্ছিলেন, তার ওপর সকালের ফ্রেশ উইকেট। এই অবস্থায় উইকেটে টিকে থাকাটাই মূল লক্ষ্য। তবে সেটি পারলেন না জাকের। দিনের প্রথম ওভারেই জোমেল ওয়ারিকানের স্লোয়ারে পরাস্ত হয়ে ক্যাচ তুলে দিলেন তিনি। ৩৪ বলে ২২ রানের ইনিংসের সমাপ্তি হলো।চতুর্থ দিনের খেলা শুরু, টিকে থাকতে আরও কিছু রান চাই বাংলাদেশেরতৃতীয় দিন শেষে বেশ কঠিন অবস্থাতেই আছে বাংলাদেশ। দিনের প্রথম সেশনে বোলিংয়ে কিছুটা নিষ্প্রভ থাকলেও দ্বিতীয় সেশনে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। আড়াইশ রানের আগেই গুটিয়ে দিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। তবে ব্যাটিংয়ে নেমে আবারও হতাশ করেন টাইগার ব্যাটাররা। ৫০ রান পার করতেই হারিয়েছিল ৫ উইকেট। সেখান থেকে দলকে কিছুটা বাঁচিয়েছেন জাকের আলী অনিক আর নাঈম হাসান।গতকাল তৃতীয় দিনের খেলা শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯ ওভার ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে ৭৯ রান করেছে বাংলাদেশ। দুই ইনিংস মিলিয়ে লিড দাঁড়িয়েছে ১০৬ রানের। ৩২ বলে ১৮ রানে জাকের আর ৩০ বলে ১৮ রানে অপরাজিত আছেন নাঈম।আজকের সকালটা বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাচে টিকে থাকতে হলে স্কোরবোর্ডে যোগ করতে হবে আরও কিছু রান। যদিও উইকেটের অবস্থা বলছে সেটি বেশ কঠিনই হবে। কারণ, আজই উইকেটে ভয়ংকর হয়ে উঠেছেন স্পিনাররা। আজই দুই দল মিলিয়ে উইকেট পড়েছে ১২টি। এর মধ্যে স্পিনাররাই নিয়েছেন ১০টি।

আগামী অর্থবছরের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের চেহারা বদলানোর লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগামী অর্থবছরের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের চেহারা বদলানোর লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগামী অর্থবছরের মধ্যে দেশের স্বাস্থ্য খাতের চেহারা বদলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, গ্রাম পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি, ক্যানসার চিকিৎসার সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার থিয়েটারে আয়োজিত ‘মেডিকেল ফিজিক্স কার্যক্রমের উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।তিনি বলেন, ‘আমরা এখন থেকে প্রত্যেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরিত করতে যাচ্ছি।’ এ ছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি প্রতি তিনটি ওয়ার্ডে একটি করে পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগের কমিউনিটি ক্লিনিককে আমরা হেলথ ওয়েলবিং সেন্টারে রূপান্তরিত করব।’ প্রাথমিক পর্যায়ে নারী-পুরুষের রোগের ইতিহাস, জন্ম, ওজন, উচ্চ রক্তচাপসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য নথিভুক্ত করে কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‌‘আগামী অর্থবছরের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা খাতের চেহারা পরিবর্তন হবে, ইনশা আল্লাহ।’ক্যানসার চিকিৎসায় ১৭টি যন্ত্র আনার উদ্যোগদেশে ক্যানসার চিকিৎসার সুযোগ বাড়াতে ১৭টি লিনিয়ার অ্যাকসিলারেটর বা রেডিওথেরাপি যন্ত্র আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এসব যন্ত্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষ কক্ষ নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ চলছে। আগামী অর্থবছরে আরও কক্ষ নির্মাণ করা হবে।তিনি বলেন, আট বিভাগে রেডিওথেরাপি সেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি জেলা পর্যায়েও এ সেবা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।রেডিওথেরাপি যন্ত্র পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ কাজে মেডিকেল ফিজিসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, রেডিওথেরাপিতে বিকিরণের মাত্রা নির্ধারণে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। মাত্রা নির্ধারণে ভুল হলে রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে পারে এবং চিকিৎসকের পেশাগত বিশ্বাসযোগ্যতাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।মেডিকেল ফিজিসিস্ট নিয়োগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় জনবলের সংখ্যা নির্ধারণ করে দ্রুত চিঠি প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। চিঠিটি প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতি আনার পরিকল্পনা রয়েছে।প্রশিক্ষণ ও রোবোটিক অস্ত্রোপচারে গুরুত্বস্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রেডিওথেরাপি যন্ত্রের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, সেগুলো পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবলও নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রযুক্তিবিদ ও কারিগরি কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে তাঁদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ক্যানসার চিকিৎসার বিভিন্ন ইউনিটে প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করতে নার্সদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।এ ছাড়া প্রথমবারের মতো দেশে পাঁচটি রোবোটিক অস্ত্রোপচারের যন্ত্র আনা হবে বলেও জানান তিনি।ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল ফিজিক্স কার্যক্রমের প্রশংসা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসাসেবায় এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষ মেডিকেল ফিজিসিস্ট তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির উদ্যোগে সরকার সহযোগিতা করবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অনলাইন জরিপ
২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন