মুন টাইমস নিউজ
সর্বশেষ
মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে বিতর্কের জন্ম দেওয়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আজ রোববার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ইশরাককে ডেকে পাঠান প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে সরকার-সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে।তবে রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে নামেন ইশরাক হোসেন। তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের হাতেও অস্ত্র ছিল। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এ নিয়ে বিএনপি ও সরকারের ভেতরেও অস্বস্তি ও অসন্তোষ তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে ঘটনার এক দিনের মাথায় ইশরাককে মন্ত্রিসভা ছাড়ার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপি ও সরকারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, মাদকবিরোধী উদ্যোগ নিয়ে আপত্তি না থাকলেও একজন প্রতিমন্ত্রীর নিজে অস্ত্র হাতে অভিযানে নামা গ্রহণযোগ্য নয়। মাদক দমনে প্রশাসনকে সক্রিয় করার পরিবর্তে তিনি কেন নিজেই অস্ত্র হাতে অভিযানে নামলেন, সেই প্রশ্ন ওঠে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী যখন রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি আবাসিক এলাকার পরিস্থিতি দেখতে আকস্মিক পরিদর্শন করছেন, তখন একজন প্রতিমন্ত্রীর এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরকারকে বিব্রত করেছে।প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলা বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির একজন সদস্যও বলেন, ঘটনাটি শুধু ইশরাকের ব্যক্তিগত বিষয় হয়ে থাকেনি; প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যদেরও বিব্রত করেছে। একজন প্রতিমন্ত্রীর এমন আচরণের দায় মন্ত্রিসভাকেও নিতে হবে।শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর ১৩টি স্থান আকস্মিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি আবাসিক এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন তিনি। কোথাও পরিস্থিতির উন্নয়নে সময়ও বেঁধে দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের দিনই বিকেলে ঘটে ইশরাকের অস্ত্রকাণ্ড। দল ও সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ কেউ মনে করছেন, ইশরাকের কর্মকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের ইতিবাচক আলোচনা অনেকটাই আড়ালে পড়ে যায়।এমন পটভূমিতে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার ঘটনাকে সরকারের সদস্যদের আচরণ ও জবাবদিহির প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর অবস্থানের বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: প্রথম আলো 

মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে বিতর্কের জন্ম দেওয়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আজ রোববার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ইশরাককে ডেকে পাঠান প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে সরকার-সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে।তবে রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে নামেন ইশরাক হোসেন। তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের হাতেও অস্ত্র ছিল। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এ নিয়ে বিএনপি ও সরকারের ভেতরেও অস্বস্তি ও অসন্তোষ তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে ঘটনার এক দিনের মাথায় ইশরাককে মন্ত্রিসভা ছাড়ার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপি ও সরকারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, মাদকবিরোধী উদ্যোগ নিয়ে আপত্তি না থাকলেও একজন প্রতিমন্ত্রীর নিজে অস্ত্র হাতে অভিযানে নামা গ্রহণযোগ্য নয়। মাদক দমনে প্রশাসনকে সক্রিয় করার পরিবর্তে তিনি কেন নিজেই অস্ত্র হাতে অভিযানে নামলেন, সেই প্রশ্ন ওঠে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী যখন রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি আবাসিক এলাকার পরিস্থিতি দেখতে আকস্মিক পরিদর্শন করছেন, তখন একজন প্রতিমন্ত্রীর এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরকারকে বিব্রত করেছে।প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলা বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির একজন সদস্যও বলেন, ঘটনাটি শুধু ইশরাকের ব্যক্তিগত বিষয় হয়ে থাকেনি; প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যদেরও বিব্রত করেছে। একজন প্রতিমন্ত্রীর এমন আচরণের দায় মন্ত্রিসভাকেও নিতে হবে।শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর ১৩টি স্থান আকস্মিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি আবাসিক এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন তিনি। কোথাও পরিস্থিতির উন্নয়নে সময়ও বেঁধে দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের দিনই বিকেলে ঘটে ইশরাকের অস্ত্রকাণ্ড। দল ও সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ কেউ মনে করছেন, ইশরাকের কর্মকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের ইতিবাচক আলোচনা অনেকটাই আড়ালে পড়ে যায়।এমন পটভূমিতে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার ঘটনাকে সরকারের সদস্যদের আচরণ ও জবাবদিহির প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর অবস্থানের বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: প্রথম আলো 

আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা হওয়া উচিত: রাশেদ খাঁন

আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা হওয়া উচিত: রাশেদ খাঁন

জামায়াত নেতা ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে চব্বিশের গণহত্যার মদদদাতা হিসেবেও মামলা হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।আজ রোববার (০৪ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘গণহত্যার মদদদাতা মেজর আখতারুজ্জামানকে বীর হিসেবে আখ্যায়িত করে জামায়াতের আমির কার্যত গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন’ উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, ‘জামায়াতের আমির গণঅভ্যুত্থানের এক মাসের মাথায় আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন।’প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী লেখেন, ‘এর মধ্যে দিয়ে তিনি কি গণহত্যার নির্দেশদাতা শেখ হাসিনাকেও ক্ষমা করে দেননি? আজকে যিনি মেজর আখতারুজ্জামানের জন্য কাঁদছেন, ভবিষ্যতে তিনি শেখ হাসিনার জন্যও কাঁদতে পারেন। জামায়াতের রাজনৈতিক চরিত্রই এমন।’তিনি বলেন, ‘আমার ধারণা, ৭১-এর গণহত্যার সহযোগী হওয়ার কারণে ২৪-এর গণহত্যা জামায়াতের কাছে একটি ঠুনকো বিষয়! যার একটি উদাহরণ, মেজর আখতারুজ্জামানের জন্য জামায়াতের আমির ও তাদের নেতাকর্মীদের মায়াকান্না।’রাশেদ খান আরও লেখেন, ‘মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ২৪-এর গণহত্যার মদদদাতা হিসেবেও মামলা হওয়া উচিত। এ ধরনের মামলা কেউ করলে সেটিকে কিভাবে মোকাবিলা করবে জামায়াত? নাকি জামায়াতে যোগদান করার কারণে মেজর আখতারুজ্জামানের সকল অপরাধ মাফ হয়ে গেছে?’সবশেষে রাশেদ খান প্রশ্ন রাখেন, ‘সত্যিই কি জামায়াতে ইসলামী অপরাধীদের পুনর্বাসন কারাখানায় পরিণত হতে চায়?’

অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে : সাদিয়া আয়মান

অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে : সাদিয়া আয়মান

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই ঘটনাকে অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেন। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া ওই পোস্টে সাদিয়া আয়মান লেখেন, ‘সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও অগ্রহণযোগ্য। তার মতো একজন মানুষের সঙ্গে এমন ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’ একই সঙ্গে দেশে চাঁদাবাজ ও অশিক্ষিত মানুষের উপদ্রব বেড়ে যাওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘এতো অশিক্ষিত, চাঁদাবাজ দিয়ে দেশটা ভরে গেছে, যে ওরা ভালো কিছু জীবনে দেখেনি আর দেখলেও সেটা হজম করতে পারে না! পোস্টের শেষ অংশে পুরো বিষয়টিকে লজ্জাজনক আখ্যা দিয়ে তিনি লেখেন, ‘এটি চরম লজ্জার ও ধিক্কারজনক!’পরবর্তীতে ওই পোস্টের কমেন্ট বক্সে সমালোচকদের কড়া জবাব দেন সাদিয়া আয়মান। নেতিবাচক মন্তব্যকারীদের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ ঝেরে তিনি লেখেন, ঠিক যাদেরকে উদ্দেশ্য করে পোস্টটি করা, সেই অশিক্ষিত মানুষগুলোই চাঁদাবাজদের পক্ষে হয়ে কমেন্টে নিজেদের ফ্রাস্ট্রেশন ঝাড়ছে। নেটিজেনদের এসব মন্তব্য আজীবনের জন্য ডকুমেন্টেড হয়ে থাকবে উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, তাদের বাবা-মা ও সন্তানরা পরবর্তীতে দেখবে যে তারা কত বড় নোংরা মানুষ এবং সুযোগ পেলে তারা নিজেদের মা, বোন কিংবা মেয়েদেরও ছাড়বে না।সোশ্যাল মিডিয়ায় সাদিয়ার এই পোস্ট ও মন্তব্য প্রকাশের পর নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত বিচারের দাবি তুলেছেন।

ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, ব্যক্তিগত কারণে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি-এ কথা আগেও বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত যেন আর নেওয়া না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকা হবে। আজ রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদেরকে সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।সভায় ক্রীড়াবিদদের বিভিন্ন নাগরিক ও পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। রেলপথ, বিমান ও সড়কপথসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রীড়াবিদদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্রীড়াবিদরা যাতে আশা নিয়ে খেলতে পারেন এবং তাদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।ক্রীড়াবিদদের সহায়তার অংশ হিসেবে এরই মধ্যে দেশের ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এখনো এই সংখ্যা পূর্ণ হয়নি। যোগ্য ও ভালো ক্রীড়াবিদ পাওয়া গেলে তাদেরও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, শিগগিরই আরও ৯৫ জন ক্রীড়াবিদকে এই কার্যক্রমের আওতায় নতুন করে সংযোজন করা হবে। এরই মধ্যে ৩১ জনকে ভাতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রতি চার মাস পরপর মূল্যায়ন করে তালিকা হালনাগাদ করা হবে। ফলে প্রতি চার মাস পরপর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে কেউ তালিকা থেকে বাদ পড়বেন, আবার নতুন ক্রীড়াবিদদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদানের জন্য সরকার ২০০ কোটি টাকা আলাদাভাবে বরাদ্দ দিয়েছে বলেও জানান তিনি। এই অর্থের মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের আরও ভালো প্রস্তুতির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছর পর অলিম্পিকে পদকের জন্য লড়াই করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হবে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এশিয়ান গেমসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ক্রীড়াবিদদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার কাজ করবে বলে জানান তিনি।

জেলা হাসপাতালে ১০টি, মেডিকেল কলেজে ৫০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জেলা হাসপাতালে ১০টি, মেডিকেল কলেজে ৫০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ১০টি করে এবং মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৫০টি করে ডায়ালিসিস মেশিন স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে ‘বিশ্ব হার্ট দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা জানান।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়াতে সরকার জেলা ও মেডিক্যাল কলেজ পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ডায়ালিসিস সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। এর আওতায় জেলা পর্যায়ের হাসপাতালে ১০টি করে এবং মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৫০টি করে ডায়ালিসিস মেশিন বসানো হবে।স্বাস্থ্য খাতের আগের বিভিন্ন উদ্যোগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, অতীতে চিকিৎসা খাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যেসব যন্ত্রপাতি আনা হয়েছিল, সেগুলোর অনেকগুলো ব্যবহার উপযোগী ছিল না বলেও তিনি দাবি করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এবারই প্রথম স্বাস্থ্য খাতকে গুরুত্ব দিয়ে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যাসংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ১৫১ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর হাসপাতালগুলোর ওপর রোগীর চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা বলেন, অনেক মানুষ বুকের ব্যথাকে গ্যাসের সমস্যা মনে করে অবহেলা করেন। তবে যেকোনো ধরনের বুকের ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ধূমপান ও তামাক পরিহার, অতিরিক্ত লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাওয়া এবং নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

অনলাইন জরিপ
২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

ব্যাটারিচালিত রিকশা কোন সড়কে চলবে, তা নির্ধারণ করবে সরকার। আপনিও কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন